রাজনীতিতে সততা বনাম কপটতা ও দূর্বিত্তায়ন
মনজুরুল হক
প্রতিটি দেশের জন্য রাজনীতি হচ্ছে একটি অবিচ্ছেদ্য বা অপরিহার্য বিষয়। গুনগত রাজনীতি না থেকে যদি কুৎসিত, কদাকার রাজনীতি চলমান থাকে, নেতারা দেশপ্রেমহীন অসৎ হয়, তাহলে সেই দেশেটির অবস্হা হয় চোরা বালুতে নিমজ্জিত হওয়ার মতো।
“সততা” বলতে প্রথমেই মানুষের মনে ভেসে উঠে, আর্থিক সততা। কিন্তু “চিন্তা-চেতনায় সততা” হচ্ছে প্রধান ভিত্তি বা নিয়ামক, যার প্রেক্ষিতে একটা মানুষ তার কর্মকাণ্ড করে। তাই চিন্তা-চেতনায় সৎ হওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
অত্যন্ত নগন্য ব্যতিক্রম ছাড়া রাজনীতিতে কি এমন কোন নেতা, মন্ত্রী, এম পি দৃশ্যমান ছিল বা আছে যিনি নিজ স্বার্থের উপরে উঠে দেশপ্রেম সমুন্নত রেখে দেশ ও জাতির সেবায় সততার সাথে আত্মনিয়োগ করেছিলেন বা করার মত দৃঢ় মানসিকতা এবং নৈতিক বল ধারন করেন!? এটা থাকা বা না থাকার মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যব্যাবধান এবং একটি জাতি কেমন চলবে বা ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নির্ধারিত হয়।
প্রকৃত আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় সকল সংস্থাগুলোর নিরপেক্ষ ভূমিকা হচ্ছে অন্যতম নিয়ামক, যা দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনার সহায়ক শক্তি। রাষ্ট্র ব্যবস্থায় অপকর্মকারী ব্যক্তিদের দন্ড নিশিত করা বাঞ্ছনীয়। একটা দেশ ও জাতি গড্ডালিকা প্রবাহে চলতে পারে না। আর তেমনটি চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ যে করুন হবে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যে অমানিশার মধ্যে থাকবে, তা বুঝতে মহাজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কামনা করছি, বিশেষভাকরে রাজনীতিবিদদের/ রাজনৈতিক নেতাদের শুভ বুদ্ধির উদয়




